Tuesday - 7 - July - 2020

ঢাকায় কোকাকোলার চেয়ারম্যান, ১৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

Published by: সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক |    Posted: 4 months ago|    Updated: 4 months ago

An Images

সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক :

বাংলাদেশে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান কোকাকোলার চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী জেমস কোয়েনসি। আজ মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো ঢাকায় এসেছেন জেমস কোয়েনসি। পরে দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

কোয়েনসি জানান, গত পাঁচ বছরে ৮৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে কোকাকোলা। বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা (২০ কোটি ডলার) বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে কোকাকোলার। ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের এক লাখ নারীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার কথাও বলেন তিনি।

কোয়েনসি বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, আমাদের ব্যবসা ঠিক ততটুকু টেকসই, যতটুকু আমাদের জনসমাজ পারিপার্শ্বিক পরিমণ্ডল টেকসই। যার মানে আমাদের ব্যবসার টেকসই উন্নয়ন তখনই সম্ভব হবে, যখন আমাদের চারপাশের জনসমাজ ও মানবসমাজের উন্নয়ন সম্ভব হবে।’

কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সালে বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ তৈরির লক্ষ্যে ‘উইমেন বিজনেস সেন্টার’ (ডব্লিউবিসি) প্রকল্প চালুর মাধ্যমে ৫ বাই ২০ (ফাইভ বাই টুয়েন্টি) কর্মসূচির সূচনা ঘটায় কোকাকোলা বাংলাদেশ। কেন্দ্র–উপকেন্দ্র মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২০৪টি উইমেন বিজনেস সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। যার মাধ্যমে ৭০ হাজার নারী ইতিমধ্যে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। চলতি বছরের মধ্যে এক লাখেরও বেশি নারী ও তাঁদের পরিবার এই ডব্লিউবিসির সুবিধা ভোগ করবেন। বর্তমানে জামালপুর, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম চলছে।

কোকাকোলা বাংলাদেশের মূল পণ্য কোকাকোলা, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, ফান্টা, কিনলে পানি, কিনলে সোডা, কোকাকোলা জিরো, স্প্রাইট জিরো, থাম্বস আপ কারেন্ট ইত্যাদি। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশে পাঁচ শতাধিক লোকের সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে আরও পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে কোকাকোলা। কোকাকোলা নানা ধরনের কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এভরি ড্রপ ম্যাটারস’ ও ‘ওয়াশ’। এই দুটি কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন বা পয়োনিষ্কাশন, হাইজিন বা স্বাস্থ্যবিধি বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্কুলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কার্যক্রম চলছে।